বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
রাতটা ধীরে ধীরে নেশা শেখায়।
আলো কমে এলে শব্দগুলো বড় হয়ে ওঠে,
নিঃশ্বাসও যেন নিজের ওজন বুঝে নিতে চায়।
দুজনের শরীর কাছাকাছি এসে থামে,
ঠিক ছুঁয়ে না গিয়েও ছুঁয়ে থাকার মতো।
বুকের ভেতর কেমন একটা চাপ জমে,
আনন্দ আর ভয়ের মাঝখানে আটকে থাকে।
মেয়েটা চোখ বুজে থাকে, যেন চোখ খুললেই মুহূর্তটা ভেঙে যাবে।
ছেলেটা কিছু বলে না, বলার আগেই সব কথা গলায় আটকে যায়।
তবু সেই নীরবতায় একটা ভাষা থাকে। উষ্ণ, ধীর, বিশ্বাসের মতো।
সময় তখন আর এগোয় না।
ঘড়ির কাঁটা শব্দ করে, কিন্তু রাত শোনে না।
ঠোঁটের কাছে এসে কথা থেমে যায়, স্পর্শে বদলে যায়।
দুজনেই জানে, এই কাছে থাকা শুধু শরীরের নয়। এটা আগলে রাখা।
হারিয়ে না যাওয়ার একরকম চেষ্টা।
এক সময় মানুষ পাথরের গায়ে পিঠ ঠেকিয়ে এমন করেই বাঁচত।
এখন পাথর নেই, আছে স্মৃতি আর ভয়।
তবু এই রাতে দুজন আবার আদিম হয়ে ওঠে।
আঁকড়ে ধরে, ছেড়ে দিতে চায় না।
কারণ ভালোবাসা ছাড়ার জন্য নয়, টিকে থাকার জন্যই বুকে টানা হয়।
আর সেই রাত, কিছু না বলেও সব বলে যায়।