শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

খেরোখাতা ও অন্যান্য / নীলুফা সুলতানা

জরাগ্রস্ত বা ব্যথিত করে মানুষের অসুখসমূহ অবলোকন করে যাওয়ার। হ্যাঁ, সেদিনইতো অবলোকন হলো জরাগ্রস্ত, ব্যাধি,যাপন, মৃত্যু ইত্যাদি নিয়ে লিখে যাওয়ার। নরাধমে প্রত্যাশার স্ফুরণ ঘটে। এমন ও ঘটে এই পৃথিবীর একজন প্রাণী হিসেবে আমাকে ও স্ফুরণ নিয়ে বাসিন্দা হতে হয় এই পৃথিবীর। কোথায় আছে তারারা? ভূমন্ডল ও নভোমণ্ডলের অধিবাসীরা? উত্তরগুলো এখানেই লুকায়িত, ওদের ও তথাকথিত, যারা আমায় চেপে ধরেছে। ব্যাস আর কিছু নয়। দারিদ্র্যতা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রচুর বক্তব্য শোনা যায়। ওরা বলে যাচ্ছে। ওদের বলে যাওয়াটা শোনা চাই। শুনতে চাই প্রচুর। দেখা ও চাই প্রচুর। একজন লেখকের অনেক রকমের দায়বদ্ধতা থাকে। সত্যিকার অর্থ হলো এটা গুটিকয়েকের মধ্যেই কেবল দেখা যায়। বাকিরা নাচন দিয়ে জানান দেয় আমরা আছি, থাকব। কোটেড করা কয়েকলাইন তাই এখানে তুলে ধরা হলো। নিজের লেখা। উলটপালট করে দেখতে ভালোই লাগে। এইসব আমি বারে বারে লিখে যেতে চাই, যেতে চাই নিজস্ব উপলব্ধির ভেতর দিয়ে। মল্লকসমূহ অবাক হয়ে রয়। মন্দ কী?
ঝাউবনেরা, আমার কথা একটু শোন। কোনদিন ইচ্ছে হলে দূরে কোথা ও চলে যাবো। যেখানে কেউ নেই, শুধু পাহাড়, পর্বত ও নদী। আমাকে ঘিরে থাকবে আমারই আমি। ক্যাকটাস,লতাপাতারা আমারই জন্য দিন গুনতে গুনতে সারা হবে। হরিতকী, আমলকীর বনগুলো আমারই জন্য অপেক্ষায় থাকবে। বিস্ময়ে তারা জানাবে, এতদিন থাকা হয়েছিল কোথায়? ওরা আমার জন্যই সাজিয়ে রাখবে পাহাড়গুলো, নদীগুলো ও জল নিয়ে। ইচ্ছের ঘুড়ি নিয়ে আমাদের অনেক স্নান হবে, অনেক আনন্দপতন।
এখানে কোন মানুষজন ও নাই। তবু আমি পাড়ি দিতে চাই এইসব নিদারুণ মানুষজনদের নিয়ে। ইচ্ছে হয় অনুধাবনে ওদের আমি চটোপঘাত করে আসি রোজ। সজোরে বলে আসি জুজোর ভয় দেখানো হচ্ছে বেশ করে? পোশাকহীন মানুষেরা যেমন হয়? কেমন হবে আবার? সেইসব পোশাকের কোন ঘ্রাণ থাকে না, রঙহীন হয় তারা। ওরাই পারে জুজোর ভয় দেখিয়ে যেতে রোজ! রোজই তো রাত নেমে আসে যেমন করে দিনটি ও গত হয়ে পড়বে অল্পক্ষণের মধ্যে। তবু ৃমনে হয় কিছু সময় বোধহয় এখনো রয়ে গিয়েছে আমারি জন্যে নয়েছয়ে। এ যেন কিছু নয় বাগানবিলাসা! মোটাদাগে চশমাটা পড়ে নেওয়া চাই। তোরা বলে যাস শুধু কোথাও কিছু নাই, থাকে না কিছু রয়ে বিস্তৃত ভুবনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *