বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন
ভোর হবে হবে ভেবে ;
এমনতর আশায় বসে আছি, কত যুগ, কত কাল,
রজনীর পর দীর্ঘ রজনী।
আকাশের দিকে মুখ তুলে চেয়ে দেখি বারবার ;
নক্ষত্র উদিত হয় আবার অস্তমিত যায় নিমিষে।
আমি কেবলই ঘন ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকি।
আমি এখন আর কোন চাঁদ দেখি না, রংধনু দেখি না,
সাদা সাদা মেঘের আনাগোনা দেখি না।
পুব আকাশে আলোর কনিকা খুঁজে খুঁজে
আরও বেশী আঁধার থেকে আঁধারে ডুবে থাকি সারাটা জীবন ভর।
দূর্বাঘাসের নরম মুখে টুপটাপ কুয়াশা
ঝরে পড়ার শব্দ ভেসে আসে র্কণকুহরে।
আমি চমকে উঠি । ঐতো,ঐ বুঝি ভোর এলো,
প্রিয় সূর্যটা সোনালী কিরণ ছড়িয়ে দিচ্ছে সবুজ ঘাসে।
অন্ধ চোখের বন্ধ কপাট খুলে দেখি আমার সূর্যটা পান্জাবীর আস্তিন নাচিয়ে,
তর্জনী উচিঁয়ে ডাক দিয়ে যায়,আয়রে, তোরা ছুটে ছুটে আয়।
পাল তুলে দে মাঝি ভাটির বাঁধ ভেঙ্গে উজানের পথে ।
আজ জল তরঙ্গে আবার মিছিল হবে।
কিন্তু ভুল,সবই ভুল হয়ে উড়ে যায় স্বপ্নসূর্যটা।
সূর্যটাকে আর কাছে পাই না- এই অনন্ত রাত্রির কারাগারে।
আমার সূর্যটাকে আজ লুট করে নিয়েছে
ঐ বয়সী নিষ্ঠুর ব্ল্যাকহোলের কুৎসিত হায়েনা।
আমি এই গভীর আঁধারেও সবুজ ঘাসের বুকে হাত রেখে বুঝতে পারি,
লাল তাজা রক্ত জমাট বেঁধে গোলক হয়েছে।
হটাৎ দূর ,অনেক দূর থেকে অন্ধকারে মাটির পাখিরা গেয়ে উঠে,
পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে , রক্ত লাল, রক্ত লাল।