শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
আজো রোজকার মতোই একাকী বসে চেয়ে আছি শোবার ঘরের জানালার শার্শিতে,
প্রতিটা দিনই নিয়ম করে বেলাশেষে এক আজলা শূন্যতা এসে ঝুলে থাকে আমার দখিনের জানালায়।
শেষ বিকেলের আলো-আঁধারি কেবল অবসন্নতা হয়ে বুকের উপর ঝেঁকে বসে হৃৎপি-কে খামচে ধরে,
মন ও মগজের রক্তের ধারা ক্রমশই যেন হিম হয়ে আসে নিদারুণ বিষণœতায়!
না…ধূপগুড়ি নয়, বরং নিকোটিনের তীব্র ঘ্রাণে বাতাস খেলে যায় সমস্ত ঘর বারান্দায়।
দু’চোখে অন্ধকার ঘনিয়ে সাঁঝের আগেই যেন টুপ করে রাত নেমে আসে আমার আঙিনায়।
গহীনে একাকিত্বের যন্ত্রণা পুষে ঠিক বেঁচে থাকি আমি জীবনেরই তাগিদে,
বাঁ-পাঁজরে অনবরত কাঠ-ঠোকরার ঠোকর অনুভব করেও সুখের ঢংয়েই হাসি এঁটে রাখি দু’ঠোঁটের কোণায়