শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
স্বর্গ জুড়ে ফুল পাখি
আর পরীর বিচরণ
বিধির নোটিশ মতো হলো
সবার আগমন।
পাঁচ ভাই বোনের ঘরে এলো
এগারোটা ফুল
আম্মা আব্বা জায়নামাজে
থাকতেন মশগুল।
তাঁদের চাওয়া একটাই ছিলো
সুস্থ সবল হোক
ছেলে মেয়ে নয়তো চাওয়া
হোক প্রকৃত লোক।
আপার ঘরে প্রথম এলো
নাফিসা ইকবাল ফাহি
আমরা সবাই মেতেছিলাম
আনন্দে তাহি তাহি।
ফুটফুটে সেই রাজকন্যা
মেডিকেলে পড়ে
নিজের জীবন গড়তে হবে
তাইতো মণি লড়ে।
আপার ঘরের রাজপুত্র
হাসান শাহরিয়ার
পড়ালেখার পাশাপাশি
হতে চায় সে খেলোয়াড়।
আপার ঘরে এলো আবার
আরেক পুত্রধন
সবার সাথে কথা বলে
রক্ষা করে মন।
নামটা তার হাসান শাহরিন
সবাই ডাকে তিশু,
তিশু আমায় মামণি ডাকে
আরও কতকিছু।
আমার ভুবন আলো করে
এলো রাজকন্যা
মাতৃত্বের প্রথম ছোঁয়ায়
বয়েছিলো খুশির বন্যা।
মিথিলা আর মুগ্ধ বাবু
আমার ফুল আর পাখি
সাধ্যমতো তাদের আমি
বুকে আগলে রাখি।
আম্মার ছোট মেয়ের ঘরে
ফুটফুটে দুই পাখি
আরাধ্য আর আরুশী মণি
করে ডাকাডাকি।
আব্বা আম্মার বড় ছেলের
প্রথম হলো মেয়ে
হিমেল হাওয়ার অনুভূতি
সবার তাকে পেয়ে।
জাগৃতি তার খেলার সাথী
ভাই একটা পেলো
বিধাতার ইশারায় যেনো
জাগরণ বাবু এলো।
আম্মা আব্বার ছোট ছেলের
ঘরে দু’জন ফুল
ফুলের দেশে একটা শিমুল
আরেকটা পারুল।
অনির্বাণও খেলার সাথী
তাইফা’কে পেয়ে খুশি
মাঝেমধ্যে আদর করে
ডাকছে টুসটুসি।
আম্মার এবার খোদার কাছে
ছিলো একটা চাওয়া
ছোট ছেলের মেয়ে হয়ে
পূরণ হলো পাওয়া।
স্বর্গীয় উদ্যান জুড়ে
কিচিরমিচির শব্দ
বিধির নেয়ামত পেয়ে
আমরা নিস্তব্ধ।
সবার ঘরে ফুল পাখিরা
করছে কতো খেলা
জায়নামাজে শোকর করবো
সবাই পাঁচ বেলা।