মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন

‘শৈলী লেখক পাঠক উৎসব’ সম্পন্ন / রাশেদ রউফ

চট্টগ্রামে অবস্থানরত অনেক লেখক-সংস্কৃতিকর্মীর ঋদ্ধ উপস্থিতিতে গতকাল ২২ এপ্রিল চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে সম্পন্ন হলো ‘শৈলী লেখক পাঠক উৎসব’। উৎসবে বক্তারা বলেছেন, সাহিত্যের কাজ সৌন্দর্য উৎপাদন করা, বিস্ময় তৈরি করা, যা সৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত। সৃষ্টিশীলতাই লেখকের শক্তি। মানুষের চিন্তা, চেতনা, আবেগ, অনুভব ও কৌতুহলকে যা স্পর্শ করে তার সবই সাহিত্যের অনুষঙ্গ। এসব অনুষঙ্গ যেমন সাহিত্যের উপজীব্য, তেমনি এসবকে জাগিয়ে তোলা বা এসবের বিস্তৃতিও সাহিত্যের কাজ।
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ঠিক সাড়ে ৪টায় উৎসবের উদ্বোধন করেন তিন শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আনোয়ারা আলম, অধ্যক্ষ রীতা দত্ত ও অধ্যক্ষ তরুণ কান্তি বড়ুয়া। উৎসবে প্রধান অতিথি দৈনিক আজাদী সম্পাদক ও একুশে পুরস্কারপ্রাপ্ত সংবাদ ব্যক্তিত্ব এম এ মালেক বলেন, সাহিত্য চর্চা একটি অসাধারণ কাজ। যারা সাহিত্য চর্চা করেন তাদের অনেক বই পড়তে হয়, অনেক কিছু জানতে হয়। এই জানার মধ্যে দিয়ে তাদের জ্ঞানভাণ্ডার অনেক সমৃদ্ধ হয়। তিনি আরো বলেন, লেখকরা সময়কে ধারণ করেন। তারা জ্ঞান সমুদ্রে বিচরণ করেন। যে কারণে তারা আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞান থেকে শুরু করে সব বিষয়ে অবগত থাকেন। তিনি বলেন, দৈনিক আজাদী সবসময় লেখকদের পাশে আছে। নতুন লেখকদের লেখালেখিতে উদ্ধুদ্ধ করে।
কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটির সাবেক উপাচার্য ড. মো. আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তারা বলেন, বাংলা সাহিত্যের প্রকাশনা জগতে এক উজ্জ্বল নাম ‘শৈলী প্রকাশন’। সাহিত্যিক উৎকর্ষ সাধন, নবীন লেখক সৃষ্টির আকাঙ্ক্ষা তৈরি এবং পাঠক সমাজে নতুন চিন্তার বীজ বপনে শৈলী প্রকাশনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ইতিমধ্যে এই প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত হয়েছে দুই হাজারেরও অধিক গ্রন্থ এবং যুক্ত হয়েছেন প্রায় সাতশ-আটশ জন নবীন ও অভিজ্ঞ লেখক। এ উৎসব শুধুমাত্র লেখক ও পাঠকের মেলবন্ধন নয়, বরং এক সাহিত্য আন্দোলনের নতুন অধ্যায়। এই মিলনমেলা নতুন চিন্তা, নতুন কলম, নতুন সাহিত্যিক সৃষ্টির সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
শৈলীর প্রকাশক আবৃত্তিশিল্পী আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. সেলিনা আখতার, শিক্ষা-সংগঠক, প্রাবন্ধিক মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, সাপ্তাহিক স্লোগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, বায়েজিদ মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. মাজহারুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন শৈলীর প্রকাশনা উপদেষ্টা রাশেদ রউফ। উৎসবে উদ্বোধনী বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন উঠোন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিশুকিশোর শিল্পীবৃন্দ। এ পর্বে আবৃত্তি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
২য় পর্বে ছিল এবারে প্রকাশিত বইয়ের পরিচিতি ও আলোচনা। এতে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্যিক অধ্যাপক এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, আলোচক ছিলেন কবি নাট্যব্যক্তিত্ব অভীক ওসমান, প্রাবন্ধিক ড. শ্যামলকান্তি দত্ত, কবি অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়া, কথাসাহিত্যিক দীলতাজ রহমান, কবি মাহফুল আখতার। যাঁদের বইয়ের ওপর আলোচনা হয়, তাঁরা হলেন : ড. মোঃ আবুল কাসেম, প্রাবন্ধিক ড. আনোয়ারা আলম, প্রাবন্ধিক তরুণ কান্তি বড়ুয়া, সাহিত্যিক এলিজাবেথ আরিফা মুবাশ্শিরা, সাহিত্যিক দীপক বড়ুয়া, সাহিত্যিক নাসের রহমান, প্রাবন্ধিক ডা. প্রণব কুমার চৌধুরী, প্রাবন্ধিক শঙ্কর প্রসাদ দে, শিশুসাহিত্যিক আকাশ আহমেদ, সাহিত্যিক এম নাসিরুল হক, কবি শিশুসাহিত্যিক কাসেম আলী রানা, গল্পকার রুনা তাসমিনা, প্রাবন্ধিক নুসরাত সুলতানা, প্রাবন্ধিক মোয়াজ্জেম হোসেন, কবি কাজী জাহাঙ্গীর, কবি সুবর্ণা দাশ মুনমুন, কবি কানিজ ফাতিমা, কবি জি এম জহির উদ্দীন, কবি হেলাল চৌধুরী, কবি সিমলা চৌধুরী, কবি মুকুল চৌধুরী, কবি মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরী, সাহিত্যিক ফারহানা ইসলাম রুহী, কবি সৈয়দ জিয়াউদ্দীন, গল্পকার লিপি বড়ুয়া, কবি তারিফা হায়দার, কবি প্রতিমা দাশ, শিশুসাহিত্যিক কুতুবউদ্দীন বখতেয়ার, শিশুসাহিত্যিক নাটু বিকাশ বড়য়া, কবি শিরিন আফরোজ, কবি মির্জা মোহাম্মদ আলী, গল্পকার রায়হানা হাসিব, ছড়াকার জায়তুননেসা জেবু, গল্পকার রুদ্র আজাদ প্রমুখ। লেখকরা তাঁদের বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরেন।
তৃতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় লেখকের কথামালা, আবৃত্তি ও ছড়া-কবিতা পাঠ। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রাবন্ধিক আমিনুর রশীদ কাদেরী। অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রাবন্ধিক নেছার আহমদ, চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক প্রাবন্ধিক রেজাউল করিম স্বপন, কবি শিশুসাহিত্যিক জসিম উদ্দিন খান, গল্পকার অনুবাদক ফারজানা রহমান শিমু, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক বাসুদেব খাস্তগীর, শিশুসাহিত্যিক মিজানুর রহমান শামীম, শিশুসাহিত্যিক অধ্যাপক গোফরান উদ্দীন টিটু, প্রাবন্ধিক সংগীতশিল্পী গবেষক ইকবাল হায়দার, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক কাঞ্চনা চক্রবর্তী, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক মৃণালিনী চক্রবর্তী, কবি রোকেয়া হক, শিশুসাহিত্যিক ওবায়দুল সমীর, শিশুসাহিত্যিক ড. সৌরভ শাখাওয়াত, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক পিংকু দাশ, কবি শিশুসাহিত্যিক আজিজ রাহমান, প্রাবন্ধিক-সংগঠক নিজামুল ইসলাম সরফী, কবি সাংবাদিক ইসমাইল জসীম, কবি শিক্ষক শামীম ফাতেমা মুন্নী, কবি কৌশিক রেইন, শিশুসাহিত্যিক সৈয়দা সেলিমা আক্তার, ছড়াকার গৌতম কানুনগো, গল্পকার শিক্ষক সুমি দাশ, কবি নিগার সুলতানা, আবৃত্তিশিল্পী ঊর্মি বড়ুয়া, লেখক শিক্ষক অনামিকা বড়ুয়া, লেখক আরিফ রায়হান, গল্পকার শিপ্রা দাশ, কবি প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, লেখক সরিৎ চৌধুরী, সংগীত শিল্পী কবি বনানী শেখর রুদ্র, ছড়াকার শওকত আলী সুজন, প্রাবন্ধিক আবৃত্তিশিল্পী সৌভিক চৌধুরী, কবি-আবৃত্তিশিল্পী লিপি তালুকদার, কবি কিশোয়ার জাহান, লেখক শিক্ষক পূর্বা চৌধুরী সুইটি, সংগঠক সঞ্চিতা তালুকদার, প্রাবন্ধিক প্রদীপ ভট্টাচার্য, কবি সুপর্ণা লিপি বড়ুয়া, ছড়াকার নবারুণ বড়ুয়া, লেখক সুষ্মিতা তালুকদার মিতুল, কবি আনিস শাহরিয়ার, কবি আলমগীর হোসাইন, প্রাবন্ধিক কুমুদিনী কলি, সাংবাদিক আসিফ ইকবাল, লেখক শরণংকর বড়ুয়া, কবি তানজিনা রাহী, কবি নুরুল কবির করিমী, কবি রিফাত ফাতিমা তানসি, কবি আবৃত্তিশিল্পী হৈমন্তী তালুকদারসহ শতাধিক লেখক।
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ :
শৈলী লেখক পাঠক উৎসবে উপস্থিত থেকে ও আয়োজনে সহযোগিতা করে আমাদের কৃতার্থ করেছেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব এম এ মালেক। তিনি অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত সমস্ত আয়োজন উপভোগ করেছেন। এছাড়াও যাঁদের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় আমরা আন্দোলিত হয়েছি, তাঁরা হলেন কবি প্রাবন্ধিক নাট্যকার অভীক ওসমান, কবি কথাসাহিত্যিক ওমর কায়সার, কবি প্রাবন্ধিক রিজোয়ান মাহমুদ, কবি পরিবেশকর্মী শ ম বখতিয়ার, কবি জাহাঙ্গীর আজাদ, কবি নিবেদিতা বড়ুয়া, কবি রেহেনা মাহমুদ, হল্যান্ড প্রবাসী লেখক-সাংবাদিক বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ তহুরীন সবুর ডালিয়া, অধ্যাপক ফাতেমা জেবুন্নেসা, চট্টগ্রাম একাডেমির মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর মিঞা, সাবেক মহাপরিচালক অরুণ শীল, সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি হৃদয় হাসান বাবু, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. নারায়ন বৈদ্য, গল্পকার মহুয়া চৌধুরী, ছড়াশিল্পী সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রাবন্ধিক শিশুসাহিত্যিক এমরান চৌধুরী, ছড়াশিল্পী উৎপলকান্তি বড়ুয়া, শিশুসাহিত্যিক জসীম মেহবুব, ছড়াকার সংগীতশিল্পী কেশব জিপসী, চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক কবি সুলতানা নুরজাহান রোজী, কবি অমিত বড়ুয়া, কবি অধ্যাপক কল্যাণ বড়ুয়া, চিত্রশিল্পী মোমিন উদ্দীন খালেদ, চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক এস এম আবদুল আজিজ, প্রাবন্ধিক অধ্যাপক ববি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্টার গাজী মো. নুরউদ্দিন, কবি কোহিনুর আকতার, প্রাবন্ধিক ড. আবদুল আজিম শাহ, প্রাবন্ধিক ড. উজ্জ্বল কুমার দেব, সমাজব্রতী পরিমল ধর, কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ মহসীন চৌধুরী, অধ্যাপক সাইয়েদা জয়নব শিউলী, প্রাবন্ধিক খনরঞ্জন রায়, গল্পকার সাঈদুল আরেফীন, গল্পকার ইফতেখার মারুফ, ব্যাংকার নাজিম উদ্দিন, কথাসাহিত্যিক বিচিত্রা সেন, অধ্যাপক নাসিম আখতার রীনা, শিশুসাহিত্যিক আখতারুল ইসলাম, চট্টগ্রাম একাডেমির পরিচালক সৈয়দা রিফাত আকতার নিশু, লেখক মুহাম্মদ নোমান লিটন, প্রাবন্ধিক রিটন কুমার বড়ুয়া, হুলাইন সালেহ নূর কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ছন্দা চক্রবর্তী, কথাসাহিত্যিক মিলন বনিক, কালচারাল পার্কর প্রতিষ্ঠাতা নান্টু বড়ুয়া, কবি শিশুসাহিত্যিক আল জাবেরী, শিক্ষক সংগঠক বৃজেট ডায়েস, সংগঠক কস্তুরী সিংহ, অধ্যাপক শেখ বিবি কাউসার, গল্পকার শিক্ষক সংগীতশিল্পী শিউলী নাথ, লেখক নবাব হোসেন মুন্না, মীর আক্তার হোসেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক গণসংযোগ কর্মকর্তা সাইফুদ্দীন আহমেদ সাকী, রেলওয়ের সাবেক গণসংযোগ কর্মকর্তা শফিকুল আলম খান, কবি চাঁদ সুলতানা নকশী, লেখক শিক্ষক মিতা দাশ, কবি শিক্ষক মিতা পোদ্দার, সংগীত শিল্পী কাকলী দাশগুপ্ত, কবি শুকলা আচার্য্য, কবি ইলিয়াস হোসেন, লেখক নাসিমা শওকত, আবৃত্তিশিল্পী হামিদা খাতুন পান্না, আবৃত্তিশিল্পী মলিনা মজুমদার, লেখক মর্জিনা হক পপি, লেখক তানভীর হাসান বিপ্লব, কবি বিশ্বজিত বড়ুয়া, প্রাবন্ধিক রূপম চক্রবর্তী, প্রাবন্ধিক শর্মিষ্ঠা চৌধুরী, কবি লাকী সেন, লেখক নাজনীন আমান, অধ্যাপক গোপা রানী দে, আবৃত্তিশিল্পী সুচিত্রা বৈদ্য, অধ্যাপক সুব্রত কুমার নাথ, আলোকচিত্র সাংবাদিক সোহেল রানা, কবি সাইমন নজরুল, লেখক মোহাম্মদ সাজিদ হাসান, কবি আলী আকবর বাবুল, কবি গীতিকার সত্যজিৎ দাশ কাঞ্চন, ছড়াশিল্পী জাইদুল ইসলাম দুর্লভ, কবি সেলিম তালুকদার আকাশ, লেখক শিক্ষক নাজনীন লাকী, লেখক শিক্ষক তাহেরা বেগম, কবি কাজী নাজরিন, কবি শিক্ষক মল্লিকা বড়ুয়া, ছড়াকার ডি কে বড়ুয়া, ডা. বরুণ কুমার আচার্য, গল্পকার স্মরণিকা চৌধুরী, কবি ফাতেমা ফেরদৌস নীপা, কবি শাহেদ সরওয়ার, গল্পকার জোনাকী দত্ত, লেখক শুভাশীষ দত্ত ভানু, কবি সৈয়দা করিমুন্নেসা, অধ্যাপক আয়েশা পারভীন চৌধুরী, লেখক গৌরী সর্ববিদ্যা, লেখক রশীদ এনাম, কবি মেহেরুন্নেসা রশিদ, সংগঠক এম কামাল উদ্দীন, চাটগাঁ ভাষা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন চৌধুরী, লেখক-সংগঠক ছাইফুল হুদা ছিদ্দিকী, লেখক শিক্ষক নেভী বড়ুয়া, লেখক মহিউদ্দিন ইমন, কবি স্বপন কুমার বড়ুয়া, অধ্যাপক উজ্জ্বল মুৎসুদ্দী, কবি শুক্কুর চৌধুরী, লায়ন শওকতুল ইসলাম, ছড়াকার সরওয়ার আরমান, লেখক জাহেদ কায়সার, কবি শর্মি বড়ুয়া, সংস্কৃতি সংগঠক পুলক চন্দ, মো. তাজুল ইসলাম, ভ্রমণ লেখক এস এম মোখলেসুর রহমান, লেখক সাহাদাত হোসাইন সাহেদ, লেখক তসলিম খাঁ, কবি মাহবুবা ছন্দা, অধ্যক্ষ আবিদা সুলতানা চৌধুরী, সমাজব্রতী শ্যামলপ্রসাদ নাথ, কবি রেহেনা আকতার, প্রাবন্ধিক সোহেল মো: ফখরুদ্দিন প্রমুখ।
পুরো অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচার করে গল্পকার রুনা তাসমিনা ও লিপি বড়ুয়া এবং প্রোজেক্টারে শৈলীর বই ও অন্যান্য ডকুমেন্ট সম্প্রচারে কবি আজিজ রাহমান‌ এবং তালিকাভুক্ত পাঠকের হাতে বই ও উপহার তুলে দিতে গল্পকার ফারজানা রহমান শিমু, শিশু সাহিত্যিক সৈয়দা সেলিমা আক্তার, গল্পকার শিপ্রা দাশ ও কবি তানজিনা রাহী যে পরিশ্রম করেছেন, তা উল্লেখ না করলেই নয়।
সকলের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *