বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
এখন আমি অনেক বড়, নই মোটে খুব ক্ষুদ্র-
টিলার ভেতর পাহাড় দেখি, নদীতে সমুদ্র।
দু চোখ মেলে সব দেখি আজ দু কান পেতে শুনি,
সব ঘটনার রঙিন চারা বুকের ভেতর বুনি।
আগের মতো বৃথায় এখন কাটাই না আর বেলা,
তারপরও মা কেন তুমি আমায় করো হেলা?
ডুরে শাড়ি পরে তুমি কখনো ধান ভানো
গুন্ গুন্ গুন্ স্বরে আবার গাইতে থাকো গানও।
কখনো যাও কলসি কাঁখে- ঘোমটা টেনে ধরে,
কখনো বা গল্প করো একসাথে মন ভরে।
– দেখে আমার লাগে ভালো, মুখে আলোর হাসি-
‘তোমাকে মা প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসি’।
কিন্তু এখন তোমার মুখে আর দেখি না হাসি
দেখছি শুধু চোখ থেকে জল ঝরছে রাশি রাশি।
এমন মলিন মুখ দেখে মা মেজাজ হলো কড়া
আদেশ পেলেই নামবো মাঠে ক্ষোভ নিয়ে বুক ভরা।
দাও মাগো দাও আদেশ তুমি, যেই করে হোক ফিরে-
আনবো আবার সুখকে তোমার বুকে ধীরে ধীরে।
চুপ কেন মা? তোমার গায়ে চিমটি যারা কাটে,
যারা তোমার প্রাণের ওপর ছোরা নিয়ে হাঁটে,
গলা থেকে হাঁসুলি আর নাক থেকে নাকছাবি-
ছিনিয়ে পাচার করে; তাদের ছোট্ট কিসে ভাবি?
তুচ্ছ ভেবে তুমি কি মা করবে ওদের ক্ষমা?
না, মাগো না; তপ্ত আগুন হচ্ছে বুকে জমা।
ছাড়বো না মা ওদের আমি উঠবো নিজে দুলে,
তোমার আদেশ পেলেই নেবো অস্ত্র হাতে তুলে।
কী সুন্দর!
চমৎকার কবিতাখানি। অভিনন্দন দাদা।
Nice
চমৎকার!