বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

গল্প

স্মৃতিটুকু বেঁচে থাক / রেজাউল করিম স্বপন

প্রায় দুই বছর হলো রীতার স্বামী এক্সিডেন্টে মারা গেছে। তাদের দুই সন্তান, একজনের বয়স ১৩, অন্য জনের ১০। এই দুই বছরে ছোট দুইটা বাচ্চা নিয়ে রীতা বুঝেছে জীবন কত কঠিন। read more

কালোছায়া /ফারজানা রহমান শিমু

একটানা লিখতে লিখতে চোখটা কেমন ঝাপসা হয়ে আসে। তখনই খেয়াল হয়, টেবিলের উপর রিসেট পড়ে রয়েছে। পাশে গ্লাসভর্তি পানি। পর্দার ফাঁকে গিন্নীর বুক উঠানামা করার দৃশ্য। ঠিক চোরের মতো রিসেট read more

‘কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে’ / রেজাউল করিম স্বপন

কখনো মন খারাপ বা টেনশনে থাকলে ক্লাবের সুইমিং পুলের পাশে আলো আঁধারিতে বসে একটার পর একটা সিগারেট ফুকা আমার পুরানো অভ্যাস। বদ অভ্যাস হলেও এভাবে কয়েক ঘন্টা বসে থাকলে মনটা read more

একটুখানি স্নেহ আর একটু ভালোবাসা / রেজাউল করিম স্বপন

পঁয়ষট্টি উর্ধ্ব লতিফ সাহেবের চোখে আনন্দাশ্রু। আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে সুখের দিনগুলোর মধ্যে একটি। একটু আগে তিনি দুই দুইটা মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মেয়েদের বিদায় দিয়ে নিজের ঘরে বসে স্ত্রীর সাথে read more

চার দেয়ালের মাঝে / রেজাউল করিম স্বপন

রহমান সাহেব রাশভারি একজন মানুষ। সরকারের প্রথম শ্রেণির একজন কর্মকর্তা ছিলেন। দাপটের সঙ্গে চাকুরি করেছেন কিন্তু নীতির প্রশ্নে কখনো আপোষ করেননি। চাকুরি জীবনে অনেক সুনাম কুড়িয়েছেন, অনেক মানুষের উপকার করেছেন। read more

বড় বাড়ির দুঃখ / সৈয়দা সেলিমা আক্তার

গেট ঠেলে প্রাঙ্গণে পা রাখতেই মানুষের স্রোত দেখা যাচ্ছে। দখিন দুয়ার খোলা যে বাড়িটার আজ তার পরিবেশ রুদ্ধ। জানালার গ্রীলের ফোঁকর বেয়ে যেন হু হু করে বিলাপের স্বর ভেসে আসছে। read more

স্বপনচারিণী / রেজাউল করিম স্বপন

১৯৯০ সালের দিকে আমরা চট্টগ্রামের মেহেদিবাগের শহিদ মির্জা লেইনে থাকতাম। থাকতাম পাঁচ তলা বিল্ডিংয়ের পাঁচ তলায়। সামনে অনার্স পরীক্ষা, তাই রাত দিন পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ছাদে গিয়ে read more

নানরুটি / বাসুদেব খাস্তগীর

হরিহর হাবাগোবা প্রকৃতির ছেলে। গ্রামের মানুষের এ কাজ সে কাজ করে দেয়। মানুষ তাকে এজন্য দু’একটাকা দেয়, সে এতেই খুশি। টাকা দিয়ে এটা সেটা কিনে খায়। সে একবারে হাবাগোবা আবার read more

সজল / সৈয়দা সেলিমা আক্তার

বর্ষা এলে সজলটা ভিজে একাকার হয়ে যায়। এক গোসল…. দুই গোসল…. তিন গোসল…এভাবে ক্রমাগত ক্ষেপাতে ক্ষেপাতে ওর পেছন পেছন ছোটে।আমরা যেখানে থাকি সেটা শহরের এক প্রান্তে হলেও দেখতে অবিকল পাড়াগাঁ।আমাদের read more

আ মরি বাংলা ভাষা / বিচিত্রা সেন

কটেজ থেকে নামতে নামতেই সকাল আটটা বেজে গেলো। রাস্তায় নেমে চারপাশে তাকালাম। আশেপাশে কোনো ভালো রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ছে না। সুমিত আমার দিকে তাকালো। ওর চোখে জিজ্ঞাসা,কী করবো এখন? ছেলেমেয়ে দুটোও read more