বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
ইদানিং যুদ্ধ আমাকে ভাবায় খুব
যুদ্ধটাকে আমি ঘৃণা করি
খুব ঘৃণা।
তাই বলে ভাইয়ের বুকে ছুরি টা বসিয়ে দিবে
আর আমি চুপটি করে বসে থাকবো
তা কি করে হয়?
ইট মারলে পাটকেলটা খেতে হবে
এটাই তো স্বাভাবিক।
আমি ঘৃণা করি সেই সব আগ্রাসন
যাদের লোলুপ দৃষ্টি কেড়ে নিতে চায়
অপরের আবাসন।
এখনো মানুষ মরে পথ্যের অভাবে
হাসপাতালের বেডে শুয়ে বাঁচার কী যে আকুতি।
কই? সৃষ্টির উল্লাসে যা-ও নিতো হিমালয় ছুঁয়ে?
পেরেছ কি তবে?
এগিয়ে আসলে কই সমাধান হাতে নিয়ে?
অস্ত্রের ঝংকারে ভুলে গেছো মানবতা
তুমি ভুলে গেছো জীবে প্রেম।
ধ্বংসের ইন্ধন দিয়ে যারা আছো দূরে
জেনে রাখো তবে একদিন
তোমাদের নগ্ন কীর্তি বুমেরাং হয়ে
দাঁড়াবে ই ঘুরে
লাশের উপরে লাশ মানুষের আর্তনাদ
বিদীর্ণ হয়ে যায় আকাশ
অথচ ছোঁয়নি তোমাদের প্রেমহীন মরু বুকে।
দ্বিগ্বিজয়ের নেশায় ডুবে
তুমি ভূলন্ঠিত করে দিলে মানবতা।
এ কোন আদিম নেশায় মেতে উঠলে তবে তুমি?
ক্ষমতার দাপটেই বুঝি
দুমড়ে মুচড়ে দিতে চাও এই পৃথিবীটা?
আর কতো? কতো প্রাণ বলি হলে পরে
তোমাদের এ অতৃপ্ত বাসনার হবে অবসান?
কবেই গাইবে তবে এই জীবনের জয়গান?
ধিক্ সেই অস্ত্রের কারিগরে
যারা জীবনের ঠোঁটে ঢেলে দিলো মৃত্যুর পেয়ালা।
আর কত প্রাণ বেঘোরে হারাবে তবে?
বন্ধ করো এইসব ধ্বংসের খেলা
লোভের লাগাম ধরে সৃষ্টিতেই করো ধ্যান।
খুব তো হলো ধ্বংসের লীলাখেলা
তোমাদের বাজিকরি
এবার দেখাও দেখি একটা জীবন তৈরি করি।
কাকে দেখাও তবে তোমার এই ক্ষমতা?
উপরে একজন আছেন
তারচেয়ে নয় বেশি
সুতরাং সাবধান
খুব সাবধান।