বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
পাহাড়ের বুক চিরে
হেলে দুলে ধীরে ধীরে
চলে গেছে রাস্তাটি থানছির দিকে
চারদিকে ঘন বন
সবুজের আবাহন
পাহাড়ি মাটির মায়া ডাকে পিকনিকে।
বান্দরবান থেকে
ডানে বামে এঁকেবেঁকে
ছোটা যায়, ওঠা যায় পাহাড়- চূড়ায়,
হঠাৎ মেঘের দেশে
এসে গেলে কী আবেশে
সাজানো পাতার মতো দু চোখ জুড়ায়।
বৃক্ষের পাতা ঝরে
মর্মর টুপ করে
বরফের মতো শীত যখন নামে
খরায় পাহাড় পোড়ে
বাতাসে আগুন ওড়ে
মাথার ওপরে তবু মেঘেরা থামে।
কাশের মতোন মেঘ
নেই ভয়- উদ্বেগ
চুলের সঙ্গে মিশে হেঁটে হেঁটে যায়
মেঘেরা বৃষ্টি সাজে
নামে পাহাড়ের খাঁজে
কাচের ঝরনা নাচে ঝুম বর্ষায়।
রিমঝিম বৃষ্টিতে
হই পাহাড়ের মিতে
সন্ধ্যার মতো আলো ভরদুপুরে
সবুজে দু’চোখ বুজে
মেঘজল সুখ খুঁজে
কাছের শঙ্খ দেখি ছুটছে দূরে।
দূরের নদীর মতো
গানের সুরের মতো
মেঘের রাজ্যে আমি বসতি গড়ি,
নীলগিরি ঝিলগিরি
সব ছুঁয়ে যেই ফিরি
হাতছানি দিয়ে ডাকে মিলনছড়ি।
মেঘের চিলের মতো
কাব্য- মিলের মতো
ছুটে গিয়ে দেখি সেও মহাবিস্ময়-
আরেক বাংলাদেশ
শুয়ে আছে অনিমেষ
অধীর পাতার মতো নদী রুপোময়।
পাহাড়ের বুক চিরে
হেলে দুলে ধীরে ধীরে ভেসে আসে গান
বান্দরবান, আহা, বান্দরবান!