বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
কবি ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলেছিলেন,
“ভাত দে হারামজাদা, তা না হলে মানচিত্র খাবো।”
মানচিত্র উদরে গেলে থাকে কি আর!
প্রশাসন তাই খুলে বসলো “ভাতের হোটেল।”
বিরোধী নেতার দল কি বিপ্লবী- কেউ রেহাই পেলো না।
মানচিত্রে হাত!-
নে, এবার তোরা ভাত খেয়ে চুপচাপ সরে যা
মহাজনের পথ থেকে।
ভাতের হাহাকার এখনও শেষ হয় না।
মানচিত্র খামচে ধরে ন্যায়-অন্যায়ের সকল পুরোধা;
বাদ যাবে না একজন মানুষও-সুস্থ কিংবা বিকারগ্রস্ত!
প্রেম কেড়ে নেয় রক্তচক্ষু সমাজ, বিধাতা ফিরিয়ে নেন
মাথার উপরে থাকা স্নেহের আধার,মা-বাবা-ভাই।
কেবল দূর হয় না ভাতের ক্ষুধা!
এক থালা ভাতের দামে যুবকের শরীর কালশিটে!
এক থালা ভাত এবার দি লাস্ট সাপার।
ধরেই নিলাম, চোরই ছিলো বটে!
তবুও…তবুও…আমরা নিরুত্তর!
নতুন রব শোনা যায়, মায়াভরা চোখের অপ্রকৃতিস্থের আবেদন-
“দুটো ভাত দাও প্রজন্ম, বিনিময়ে প্রাণটা নাও!”